সবার আগে বাংলাদেশ
সবার আগে বাংলাদেশ
সবার আগে বাংলাদেশ
সবার আগে বাংলাদেশ

সবার আগে বাংলাদেশ

মুক্তিযোদ্ধা ও জনপ্রতিনিধি

স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর যোদ্ধা, জনগণের সেবায় নিবেদিত প্রাণ। ৩০ টিরও বেশি শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

সবার আগে বাংলাদেশ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাতা

৩০টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন। হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে আলোর পথ দেখিয়েছেন এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

সবার আগে বাংলাদেশ

২ বার প্রতিমন্ত্রী

চারবার সংসদ সদস্য ও দুইবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্বে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।

সবার আগে বাংলাদেশ

২ বার প্রতিমন্ত্রী

চারবার সংসদ সদস্য ও দুইবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্বে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।

🗳️ আপনার মূল্যবান ভোট দিন • জনগণের সেবায় নিবেদিত • উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সামিল হোন • শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা • দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ুন • ধানের শীষে ভোট দিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ুন •🗳️ আপনার মূল্যবান ভোট দিন • জনগণের সেবায় নিবেদিত • উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সামিল হোন • শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা • দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ুন • ধানের শীষে ভোট দিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ুন •
Leader Addressing Crowd
পরিচিতি

জীবন ও সেবার গল্প

Candidate Portrait

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

  • ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধা
  • চারবার জাতীয় সংসদ সদস্য
  • দুইবার প্রতিমন্ত্রী
  • সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট
  • BGMEA সভাপতি (১৯৯৩-৯৭)
  • পিএইচডি ইন সোশ্যাল পলিসি
  • ৩০+ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা

জীবনী

বীরমুক্তিযোদ্ধা ড.রেদোয়ান আহমেদ সম্পর্কে কিছু কথা

ডক্টর রেদোয়ান আহমেদ ১৯৫২ সালে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার ছাতাড্ডা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম সুলতান আহমেদ। শৈশব ও কৈশোরে তিনি মেধা, নেতৃত্বগুণ এবং দেশপ্রেমের পরিচয় দেন, যা পরবর্তীতে শিক্ষা, আইন পেশা ও রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকার ভিত্তি তৈরি করে।

মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি ভারতের ২য় ঝাঁট এবং ১৮ রাজপুত ব্যাটালিয়নের অধীনে প্রায় চার মাস সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁর নেতৃত্বে ১২১ জনের একটি দল তৎকালীন "জেড ফোর্স"-এ যোগ দেয়, যার ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান (পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম)। পরে তিনি "জেড ফোর্স"-এর ব্রিগেড মেজর ক্যাপ্টেন অলি আহমদ (পরবর্তীতে কর্নেল অলি আহমদ, বীর বিক্রম, সাবেক মন্ত্রী) এর অধীনে একটি স্টুডেন্ট প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নেন। ১৪ ডিসেম্বর সিলেট শহর মুক্ত হওয়ার পর "জেড ফোর্স" ২৪ ডিসেম্বর কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসে পৌঁছে এবং ৪৪ পদাতিক ব্রিগেড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি তৎকালীন ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর হাত থেকে রিলিজ অর্ডার নিয়ে ২৫ ডিসেম্বর বাড়ি ফিরে আসেন এবং পুনরায় পড়ালেখায় মনোনিবেশ করেন।

উচ্চশিক্ষা ও আইন পেশা (সেখান থেকেই সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট)

মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন শাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.বি (অনার্স) এবং এলএল.এম ডিগ্রি অর্জন করেন। এই উচ্চতর আইন শিক্ষা এবং পেশাগত যোগ্যতার ভিত্তিতেই তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন বিজ্ঞ আইনজীবী (এডভোকেট) হিসেবে ভর্তি হন ও দীর্ঘদিন সুনামের সাথে আইন পেশায় কাজ করেন।

২০০১ সালে তিনি নেদারল্যান্ডের “থর্ন উড” বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সোশ্যাল পলিসিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন, যা তাঁর একাডেমিক ও নীতি-নির্ধারণী দক্ষতাকে আরও শক্তিশালী করে।

রাজনৈতিক জীবন ও মন্ত্রিত্ব

তিনি ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৮৬, ১৯৯১ এবং ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চান্দিনা এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

ব্যবসা ও সংগঠন নেতৃত্ব

ডক্টর রেদোয়ান আহমেদ বাংলাদেশের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও পোশাক শিল্প খাতের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত টানা তিন মেয়াদে তিনি বিজিএমইএ-এর সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের এপেক্স বডি “এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)” এরও প্রায় ৮ বছর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি তাহার বাস্তব জীবনে চান্দিনার গণমানুষের জন্য শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে নিম্নোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠা করেন।

  • ★১৯৮০ সালে চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ
  • ★১৯৮৮ সালে মহিচাইল জোবেদা- মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
  • ★১৯৯৩ সালে বরকইট উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়
  • ★১৯৯৪ সালে কুটুম্বপুর উচ্চ বিদ্যালয়
  • ★১৯৯৫ সালে চিলোড়া অম্বরপুর কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়
  • ★১৯৯৫ সালে রসুলপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
  • ★১৯৯৫ সালে শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ
  • ★১৯৯৯ সালে মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতি কলেজ
  • ★২০০২ সালে দোলাই নবাবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
  • ★মহরং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ★শবদলপুর এম এ হাকিম মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ★হারং মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ★ছাতাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ★চান্দিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ★মধু সাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ★ স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নে মহিচাইলে ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল স্থাপন করেন।

তাছাড়া তিনি চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বহু রাস্তাঘাট, পুল- কালভার্ট নির্মাণ করেন।যেমন- -মাধাইয়া দোল্লাই- নবাবপুর রহিমা নগর সড়ক, বেলাশ্বর কাদুটি দোল্লাই-নবাবপুর সড়ক, কাদুটি মোড়ার পাড় সড়ক,চান্দিনা রামমোহন সড়ক,চান্দিনা লতিফপুর সড়ক, চান্দিনা খুসবাস সড়ক, ইলিয়টগঞ্জ বড়িইয়া-কৃষ্ণপুর পরচংগা-মহিচাইল সড়ক, কুটুম্বপুর করইয়া সড়ক,বানিচড়া- বাংলা বাজার ফাঐ সড়ক, তীরচর- মোহনপুর সড়কসহ বহু আন্তবাজার ও আন্ত ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক নির্মান করেছেন।

জীবন সংক্ষেপ

দেশ ও জনগণের সেবায় নিবেদিত এক জীবন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জেড ফোর্সের অধীনে স্টুডেন্ট প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে সম্মুখ সমরে লড়াই করে দেশের জন্য অবদান রাখেন।

স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত রাজনীতি, সমাজসেবা এবং ব্যবসায়ে অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন। চারবার জাতীয় সংসদ সদস্য এবং দুইবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ ক্ষেত্রে ৩০ টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলস কাজ করছেন।

জনগণের সেবক

ডক্টর রেদোয়ান আহমেদ

প্রধান অর্জনসমূহ

দেশ ও জনগণের সেবায় উল্লেখযোগ্য অবদান

মুক্তিযোদ্ধা

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে দেশকে স্বাধীন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

৪ বার সংসদ সদস্য

জনগণের ভোটে তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন।

২ বার প্রতিমন্ত্রী

দুইবার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছেন।

৩০+ প্রতিষ্ঠান

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ ক্ষেত্রে ৩০ টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নত করেছেন।

জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

১৯৭১

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ

জেড ফোর্সের অধীনে স্টুডেন্ট প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে সম্মুখ সমরে লড়াই

১৯৭৯

সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য

২য় জাতীয় সংসদে সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত

১৯৮০

প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ প্রতিষ্ঠা

১৯৯৩-৯৭

BGMEA সভাপতি

পরপর তিনবার বিজিএমইএ সভাপতির দায়িত্ব পালন

১৯৯৬

প্রথমবার প্রতিমন্ত্রী

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী

২০০১

পিএইচডি ডিগ্রি

নেদারল্যান্ডের থর্ন উড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সোশ্যাল পলিসিতে পিএইচডি

২০২৬

নতুন অঙ্গীকার

জনগণের সেবায় আবারও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা

৫০+
বছরের সেবা
৩০+
প্রতিষ্ঠান
৪ বার
সংসদ সদস্য
২ বার
প্রতিমন্ত্রী

ভিডিও গ্যালারি

ড. রেদোয়ান আহমেদের বিভিন্ন কার্যক্রম, বক্তব্য এবং উন্নয়ন কাজের ভিডিও দেখুন

চান্দিনার গর্জন! 🔥 রেদোয়ান ভাই আইলো রে | ধানের শীষের সেরা নির্বাচনী গান ২০২৬

চান্দিনার গর্জন! 🔥 রেদোয়ান ভাই আইলো রে | ধানের শীষের সেরা নির্বাচনী গান ২০২৬

চান্দিনার গর্জন! 🔥 রেদোয়ান ভাই আইলো রে | ধানের শীষের সেরা নির্বাচনী গান ২০২৬

২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫৯,৮০০ ভিউ
কুমিল্লা চান্দিনায় কর্মী সম্মেলনে ড. রেদোয়ান আহমেদ

কুমিল্লা চান্দিনায় কর্মী সম্মেলনে ড. রেদোয়ান আহমেদ

কুমিল্লা চান্দিনায় কর্মী সম্মেলনে সাবেক ৪ বারের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ।

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫১২,৫০০ ভিউ
ঐক্যমত্য কমিশনের বৈঠকে বক্তব্য

ঐক্যমত্য কমিশনের বৈঠকে বক্তব্য

আজ ২৮ জুলাই ২০২৫ জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের বৈঠকে বক্তব্য প্রদান করেছেন ড. রেদোয়ান আহমেদ।

১০ জানুয়ারি, ২০২৬৮,২০০ ভিউ
বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব: রেদোয়ান আহমেদ

বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব: রেদোয়ান আহমেদ

বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব: রেদোয়ান আহমেদ

২০ জানুয়ারি, ২০২৬১৫,৭০০ ভিউ
আইনজীবীর বক্তব্য

আইনজীবীর বক্তব্য

কুমিল্লা- (চান্দিনা) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. রেদোয়ান আহমেদ এর আইনজীবী যা বললেন

৫ জানুয়ারি, ২০২৬৬,৩০০ ভিউ
শেষ নির্বাচনে মনোনয়ন বৈধতা পেয়ে কুমিল্লা-০৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা. রেদোয়ান আহমেদ যা বললেন

শেষ নির্বাচনে মনোনয়ন বৈধতা পেয়ে কুমিল্লা-০৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা. রেদোয়ান আহমেদ যা বললেন

শেষ নির্বাচনে মনোনয়ন বৈধতা পেয়ে কুমিল্লা-০৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা. রেদোয়ান আহমেদ যা বললেন

২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫৯,৮০০ ভিউ
এটাই জীবনের শেষ নির্বাচন - কমিল্লা-০৭ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. রেদোয়ান

এটাই জীবনের শেষ নির্বাচন - কমিল্লা-০৭ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. রেদোয়ান

এটাই জীবনের শেষ নির্বাচন - কমিল্লা-০৭ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. রেদোয়ান

১ জানুয়ারি, ২০২৬১১,২০০ ভিউ
মিথ্যা প্রোপাগান্ডা এর বিরুদ্ধে ড. রেদোয়ান আহমেদের জবাব

মিথ্যা প্রোপাগান্ডা এর বিরুদ্ধে ড. রেদোয়ান আহমেদের জবাব

মিথ্যা প্রোপাগান্ডা এর বিরুদ্ধে ড. রেদোয়ান আহমেদের জবাব

১০ জানুয়ারি, ২০২৬১১,২০০ ভিউ
চান্দিনার ভালবাসা আমাকে প্রেরণা দেয়: ড. রেদোয়ান আহমেদ

চান্দিনার ভালবাসা আমাকে প্রেরণা দেয়: ড. রেদোয়ান আহমেদ

কুমিল্লা ৭ আসনের বিএনপি এবং ধানের শীষের প্রার্থী ডাক্তার রেদওয়ান আহমেদ ভাইকে আমার এই গানটি উপহার

১০ জানুয়ারি, ২০২৬১১,২০০ ভিউ
নির্বাচন ২০২৬

আপনার ভোট, আমার অঙ্গীকার

জনগণের সেবায় আজীবন নিবেদিত। আসন্ন নির্বাচনে আপনার মূল্যবান ভোটে আবারও সেবা করার সুযোগ চাই।

নির্বাচনী প্রতীক
আমার প্রতীক

ধানের শীষ

ভোট দিয়ে উন্নয়নের অংশীদার হন

নির্বাচনের তারিখ

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সকাল ৮টা - বিকাল ৪টা

আমার অঙ্গীকার

উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি

চান্দিনা উপজেলার যে সব অঞ্চলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই, সেইসব অঞ্চলে নতুন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা।

দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে চান্দিনায় একটি কারিগরি ও একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা।

শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ইলেকট্রিক/ইলেকট্রনিক্স ট্রেনিং, সেলাই, প্লাম্বিং, ফ্রিজ-টিভি-এসি স্থাপন ও মেরামত প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং বেকার সমস্যা সমাধানে কাজ করা।

বিগত সরকারের আমলে অবহেলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে (যেখানে বিল্ডিং নির্মাণ/সংস্কার হয়নি) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্মাণ ও সংস্কারের ব্যবস্থা করা।

চান্দিনা উপজেলা ও পৌর অঞ্চলের ভঙ্গুর পাঁকা/আঁধা পাকা রাস্তাঘাট অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার, মেরামত ও পুনঃনির্মাণ করে জনদুর্ভোগ কমানো।

চান্দিনা উপজেলার বেকার যুবক/যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন নতুন শিল্পকারখানা/কলকারখানা নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া।

মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত চান্দিনা গড়ে তোলা।

কৃষি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে গরিব ও প্রান্তিক কৃষকদের সকল ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য সকল স্থানে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা করা।

প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য আপনার সহযোগিতা প্রয়োজন।একসাথে আমরা গড়ব উন্নত ভবিষ্যৎ

সোশ্যাল মিডিয়া

ফেসবুক পোস্ট গ্যালারি

সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও জনগণের সাথে সংযোগ

স্লাইডার নেভিগেশন করতে তীর চিহ্ন ব্যবহার করুন অথবা নিচের ডট ক্লিক করুন

যোগাযোগ করুন

আমাদের সাথে থাকুন সংযুক্ত

আপনার মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। যেকোনো সময় যোগাযোগ করুন।

নির্বাচনী অফিস সমূহ

আমাদের অফিসগুলোতে সরাসরি যোগাযোগ করুন

প্রধান নির্বাচনী অফিসপ্রধান

মহিচাইল, চান্দিনা,কুমিল্লা

২৪ ঘন্টা খোলা

শাখা অফিস

চান্দিনা পৌর সভা,চান্দিনা,কুমিল্লা

24 ঘন্টা খোলা

শাখা অফিস

মাজখার,চান্দিনা, কুমিল্লা

24 ঘন্টা খোলা

ভোটার স্লিপ খুঁজুন
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর দিয়ে ভোটার স্লিপ ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানুন

আপনার ১০ বা ১৭ সংখ্যার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিন

Call to Action